ক লকাতা থেকে তার বাড়ির রাস্তা ওই এদিক ওদিক করে দেড় ঘন্টার মতো। আজকের দিনেও ঘন্টায় একটিমাত্র বাস। প্রীতম দাঁড়িয়ে তার বাড়ির সামনে বাস স্ট্যান্ডে। কখন বাস আসবে সেই অপেক্ষায়। এদিকে বৃষ্টি নামবে নামবে করছে বেশ অনেকক্ষন ধরেই, তবে নামছে না আর। সাবধানতামূলক সে একটা কালো ছাতা তার জিন্সের পকেটে ঝুলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ঘন ঘন হাতঘড়িতে চোখ রাখছে সময়ের খেয়াল রাখতে। প্রীতমের অবস্থাটা এই মুহূর্তে কিছুটা চাতক পাখির মতো। প্রচন্ড গরমের দাবদাহে চাতক পাখি যেমন ঘোরে একটু পানীয়র খোঁজে, প্রীতমও যেন এক মরীচিকার পেছনে দৌড়ে যাচ্ছে। কেন যাচ্ছে। সে নিজেও জানে না। কি’ই বা পাচ্ছে? হয়তো কিছুই না। তাও তার যাওয়া চাই। হয়তো কিছুক্ষনের মনের পানীয় পাওয়ার আশায়। সে বলেছিল “আমি তোমায় বৃষ্টিতে পেয়েছি। বৃষ্টিই দেব সারাজীবন।” কিন্তু সারাজীবনের সময় নিয়ে তো প্রীতম আসেনি! সে এসেছিল ক্ষনিকের তেষ্টা মেটাতে। তেষ্টা তেষ্টাই থাকে যখন নিজের মধ্যে আগ্নেয়গিরির উৎস। প্রীতম কিছু মাস আগেই এক আবদ্ধ, স্ব’ইচ্ছাবিরুদ্ধতামূলক বহুদিনের সম্পর্ক থেকে বেরিয়েছে। তার রেশ এখনো কাটেনি। কিছু মাস হলো সে মোবাইলে একশটা মতো রবীন্দ্রসংগীত ডাউনলোড করে দিবারাত্...